রাজনৈতিক সহিংসতায় ছেয়ে গেছে দেশ, এখন প্রয়োজন ২ দলের আপোষ
গত দুই সপ্তাহে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত হয়েছেন শতাধিক মানুষ। খবর ঘাঁটলেই দেখা যায় তাদের অধিকাংশই হচ্ছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোটের নেতাকর্মী। তারা শহীদ হয়েছেন র্যাব পুলিশের গুলিতে, ডিবির হেফাজতে রিমান্ডের নামে প্রাণঘাতী নির্যাতনে, সংঘবদ্ধ ভাবে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের আক্রমণে।
তার উপর সরকারী কার্যালয়, কর্মকর্তা ও বিচারকদের অফিস ও বাড়ি এবং সংখ্যালঘুদের ঘরবাড়ি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলার একাধিক ঘটনায় আ'লীগ-যুবলীগ-ছাত্রলীগের সংশ্লিষ্টতা বেরিয়ে এসেছে আওয়ামী পন্থী মিডিয়ার অনুসন্ধানেই।
এই পরিস্থিতিতে চলমান সহিংসতার জন্য যারা ঢালাও ভাবে বড় দুই দলকে দায়ী
করে, আওয়ামী লীগের পিঠ বাঁচাতে উদগ্রীব কিছু দুশ্চরিত্র দালাল ছাড়া তাদের
আর কোন পরিচয় নেই। এই দালালরা গণমাধ্যম কর্মী, বুদ্ধিজীবি, সুশীল সমাজ,
পেশাজীবি এমনকি ব্যবসায়ী নেতার মলাট লাগিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিল করেছে শেখ হাসিনা, খালেদা জিয়া নন। রাজনৈতিক
কর্মীদের দেখামাত্র গুলির নির্দেশ দিয়েছে শেখ হাসিনা, খালেদা জিয়া নন।
নাস্তিকদের পেলে পুষে জাতিকে বিভক্ত করেছে শেখ হাসিনা, খালেদা জিয়া নন।
হিসেব ছাড়া আলেম হত্যা করে জাতিকে অভিশপ্ত করেছে শেখ হাসিনা, খালেদা জিয়া
নন। অতএব বর্তমান পরিস্থিতির জন্য যারা ঢালাও ভাবে দু'জনকে দায়ী করে,
আওয়ামী লীগের পিঠ বাঁচাতে উদগ্রীব দুশ্চরিত্র দালাল ছাড়া তাদের আর কোন
পরিচয় নেই। দেশব্যাপী বাকশাল নির্মূল অভিযান শুরু হলে এরাও ছাড়া পাবে না।
শেখ হাসিনা নিজের মুখেই স্বীকার করলেন নির্বাচনে মহাজোটের শরিকদের সাথে আঁতাত করে আসন ভাগাভাগির কথা।
নিজেরা নিজেরা আসন ভাগবাটোয়ারা করে কিভাবে নিজেদের শরিকদের একে অপরকে ছেড়ে
দিয়েছে আসন আর এভাবেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় দেড়শতাধিক আসনে বিজয়ী হয়েছে
আওয়ামী বাকশালী গোষ্ঠী তা স্বীকার করে নিলেন বাকশালীদের প্রধান নেত্রী শেখ
হাসিনা।
গত দুই সপ্তাহে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত হয়েছেন
শতাধিক মানুষ। খবর ঘাঁটলেই দেখা যায় তাদের অধিকাংশই হচ্ছে বিএনপি
নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোটের নেতাকর্মী। তারা শহীদ হয়েছেন র্যাব পুলিশের
গুলিতে, ডিবির হেফাজতে রিমান্ডের নামে প্রাণঘাতী নির্যাতনে, সংঘবদ্ধ ভাবে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের আক্রমণে।
তার উপর সরকারী কার্যালয়, কর্মকর্তা ও বিচারকদের অফিস ও বাড়ি এবং সংখ্যালঘুদের ঘরবাড়ি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলার একাধিক ঘটনায় আ'লীগ-যুবলীগ-ছাত্রলীগের সংশ্লিষ্টতা বেরিয়ে এসেছে আওয়ামী পন্থী মিডিয়ার অনুসন্ধানেই।
এই পরিস্থিতিতে চলমান সহিংসতার জন্য যারা ঢালাও ভাবে বড় দুই দলকে দায়ী করে, আওয়ামী লীগের পিঠ বাঁচাতে উদগ্রীব কিছু দুশ্চরিত্র দালাল ছাড়া তাদের আর কোন পরিচয় নেই। এই দালালরা গণমাধ্যম কর্মী, বুদ্ধিজীবি, সুশীল সমাজ, পেশাজীবি এমনকি ব্যবসায়ী নেতার মলাট লাগিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিল করেছে শেখ হাসিনা, খালেদা জিয়া নন। রাজনৈতিক কর্মীদের দেখামাত্র গুলির নির্দেশ দিয়েছে শেখ হাসিনা, খালেদা জিয়া নন। নাস্তিকদের পেলে পুষে জাতিকে বিভক্ত করেছে শেখ হাসিনা, খালেদা জিয়া নন। হিসেব ছাড়া আলেম হত্যা করে জাতিকে অভিশপ্ত করেছে শেখ হাসিনা, খালেদা জিয়া নন। অতএব বর্তমান পরিস্থিতির জন্য যারা ঢালাও ভাবে দু'জনকে দায়ী করে, আওয়ামী লীগের পিঠ বাঁচাতে উদগ্রীব দুশ্চরিত্র দালাল ছাড়া তাদের আর কোন পরিচয় নেই। দেশব্যাপী বাকশাল নির্মূল অভিযান শুরু হলে এরাও ছাড়া পাবে না।
“আমাদের আহবান ও দেশবাসীর আকুতিতে সাড়া না দিলেও জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূতের মধ্যস্থতায় সরকারী দল আলোচনায় বসতে সম্মত হওয়ায় দেশবাসীর মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। আমি আশা করি, বাংলাদেশের মানুষের প্রত্যাশাকে তারা বিবেচনায় নেবেন এবং একগুঁয়েমি প্রত্যাহার করে শান্তি ও সমঝোতার পথে এগুবেন।
“সমঝোতার পথ প্রশস্ত করার জন্য সংলাপের পরিবেশ তৈরি করা খুবই অপরিহার্য। কিন্তু দু:খের বিষয়, বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের এখনো মুক্তি দেয়া হয়নি, প্রত্যাহার করা হয়নি মিথ্যা মামলা। আজ্ঞাবহ নির্বাচন কমিশন এখনো প্রহসনের নির্বাচনের তফশীল স্থগিত করেনি। বিরোধী দলের অবরুদ্ধ অফিস ও বন্ধ সংবাদ-মাধ্যমগুলো এখনো খুলে দেয়া হয়নি। এখনো শান্তিপূর্ণ সমাবেশের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়নি। এখনো আন্দোলনকারীদের প্রাণসংহার ও রক্ত ঝরানো বন্ধ হয়নি। এই বিষয়গুলো বাস্তবায়ন করে সংলাপ ও সমঝোতার পথ প্রশস্ত করার জন্য আমি সরকারের প্রতি আহবান জানাচ্ছি।
“দেশবাসীকে আমি বলবো, জনগণের দাবিকে পাশ কাটাতে সরকার উস্কানি, অন্তর্ঘাত, নাশকতা ও অপপ্রচার অব্যাহত রেখেছে। বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের নাগরিকদের ওপর হামলা, আলেম সমাজের ওপর নিপীড়ন এবং নিরপরাধ মানুষকে অন্তর্ঘাতের মাধ্যমে হত্যা করে পরিস্থিতির মোড় ঘুরাবার অপচেষ্টা তারা বারবার করছে। এ ব্যাপারে সকলকে সজাগ থাকতে হবে। হঠকারিতার আশ্রয় নিয়ে উস্কানিমূলক বিভিন্ন ঘটনা ঘটিয়ে আমাদের গণতান্ত্রিক সংগ্রামের উদ্দেশ্য নিয়েও তারা অপপ্রচার করছে। অতীতেও এভাবে গণআন্দোলনকে বিপথগামী করার অপচেষ্টা সফল হয়নি। বর্তমান সরকারও সফল হতে পারবেনা ইনশাল্লাহ।
“আজ লক্ষ্মীপুরে যাদেরকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য যারা ইতোমধ্যে আত্মাহুতি দিয়েছেন আমি সেই সকল শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি। তাদের স্বজনদের প্রতি গভীর সহানুভূতি ও সমবেদনা জানাচ্ছি। আহত ও নির্যাতিত হাজার হাজার নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের প্রতি জানাচ্ছি আমার আন্তরিক সহমর্মিতা। অন্তর্ঘাতে যেসব নিরপরাধ নাগরিক প্রাণ দিয়েছেন, অসহ্য যন্ত্রণা সয়ে এখনো যারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন তাদের জন্য আবারো গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।
“সংকট থেকে দেশ-জাতির মুক্তির জন্য, গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকারের সুরক্ষা এবং শান্তি ও স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য আমরা আন্দোলন করছি। নির্দলীয়-নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে সকল দলের অংশগ্রহণের ভিত্তিতে একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর ও জনগণের পছন্দসই একটি সরকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই এ সংগ্রাম তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাবে। আমি শান্তিপূর্ণ এই আন্দোলন সকল দেশবাসীর সক্রিয় অংশগ্রহণ কামনা করি।”
তার উপর সরকারী কার্যালয়, কর্মকর্তা ও বিচারকদের অফিস ও বাড়ি এবং সংখ্যালঘুদের ঘরবাড়ি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলার একাধিক ঘটনায় আ'লীগ-যুবলীগ-ছাত্রলীগের সংশ্লিষ্টতা বেরিয়ে এসেছে আওয়ামী পন্থী মিডিয়ার অনুসন্ধানেই।
এই পরিস্থিতিতে চলমান সহিংসতার জন্য যারা ঢালাও ভাবে বড় দুই দলকে দায়ী করে, আওয়ামী লীগের পিঠ বাঁচাতে উদগ্রীব কিছু দুশ্চরিত্র দালাল ছাড়া তাদের আর কোন পরিচয় নেই। এই দালালরা গণমাধ্যম কর্মী, বুদ্ধিজীবি, সুশীল সমাজ, পেশাজীবি এমনকি ব্যবসায়ী নেতার মলাট লাগিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিল করেছে শেখ হাসিনা, খালেদা জিয়া নন। রাজনৈতিক কর্মীদের দেখামাত্র গুলির নির্দেশ দিয়েছে শেখ হাসিনা, খালেদা জিয়া নন। নাস্তিকদের পেলে পুষে জাতিকে বিভক্ত করেছে শেখ হাসিনা, খালেদা জিয়া নন। হিসেব ছাড়া আলেম হত্যা করে জাতিকে অভিশপ্ত করেছে শেখ হাসিনা, খালেদা জিয়া নন। অতএব বর্তমান পরিস্থিতির জন্য যারা ঢালাও ভাবে দু'জনকে দায়ী করে, আওয়ামী লীগের পিঠ বাঁচাতে উদগ্রীব দুশ্চরিত্র দালাল ছাড়া তাদের আর কোন পরিচয় নেই। দেশব্যাপী বাকশাল নির্মূল অভিযান শুরু হলে এরাও ছাড়া পাবে না।
“আমাদের আহবান ও দেশবাসীর আকুতিতে সাড়া না দিলেও জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূতের মধ্যস্থতায় সরকারী দল আলোচনায় বসতে সম্মত হওয়ায় দেশবাসীর মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। আমি আশা করি, বাংলাদেশের মানুষের প্রত্যাশাকে তারা বিবেচনায় নেবেন এবং একগুঁয়েমি প্রত্যাহার করে শান্তি ও সমঝোতার পথে এগুবেন।
“সমঝোতার পথ প্রশস্ত করার জন্য সংলাপের পরিবেশ তৈরি করা খুবই অপরিহার্য। কিন্তু দু:খের বিষয়, বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের এখনো মুক্তি দেয়া হয়নি, প্রত্যাহার করা হয়নি মিথ্যা মামলা। আজ্ঞাবহ নির্বাচন কমিশন এখনো প্রহসনের নির্বাচনের তফশীল স্থগিত করেনি। বিরোধী দলের অবরুদ্ধ অফিস ও বন্ধ সংবাদ-মাধ্যমগুলো এখনো খুলে দেয়া হয়নি। এখনো শান্তিপূর্ণ সমাবেশের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়নি। এখনো আন্দোলনকারীদের প্রাণসংহার ও রক্ত ঝরানো বন্ধ হয়নি। এই বিষয়গুলো বাস্তবায়ন করে সংলাপ ও সমঝোতার পথ প্রশস্ত করার জন্য আমি সরকারের প্রতি আহবান জানাচ্ছি।
“দেশবাসীকে আমি বলবো, জনগণের দাবিকে পাশ কাটাতে সরকার উস্কানি, অন্তর্ঘাত, নাশকতা ও অপপ্রচার অব্যাহত রেখেছে। বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের নাগরিকদের ওপর হামলা, আলেম সমাজের ওপর নিপীড়ন এবং নিরপরাধ মানুষকে অন্তর্ঘাতের মাধ্যমে হত্যা করে পরিস্থিতির মোড় ঘুরাবার অপচেষ্টা তারা বারবার করছে। এ ব্যাপারে সকলকে সজাগ থাকতে হবে। হঠকারিতার আশ্রয় নিয়ে উস্কানিমূলক বিভিন্ন ঘটনা ঘটিয়ে আমাদের গণতান্ত্রিক সংগ্রামের উদ্দেশ্য নিয়েও তারা অপপ্রচার করছে। অতীতেও এভাবে গণআন্দোলনকে বিপথগামী করার অপচেষ্টা সফল হয়নি। বর্তমান সরকারও সফল হতে পারবেনা ইনশাল্লাহ।
“আজ লক্ষ্মীপুরে যাদেরকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য যারা ইতোমধ্যে আত্মাহুতি দিয়েছেন আমি সেই সকল শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি। তাদের স্বজনদের প্রতি গভীর সহানুভূতি ও সমবেদনা জানাচ্ছি। আহত ও নির্যাতিত হাজার হাজার নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের প্রতি জানাচ্ছি আমার আন্তরিক সহমর্মিতা। অন্তর্ঘাতে যেসব নিরপরাধ নাগরিক প্রাণ দিয়েছেন, অসহ্য যন্ত্রণা সয়ে এখনো যারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন তাদের জন্য আবারো গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।
“সংকট থেকে দেশ-জাতির মুক্তির জন্য, গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকারের সুরক্ষা এবং শান্তি ও স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য আমরা আন্দোলন করছি। নির্দলীয়-নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে সকল দলের অংশগ্রহণের ভিত্তিতে একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর ও জনগণের পছন্দসই একটি সরকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই এ সংগ্রাম তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাবে। আমি শান্তিপূর্ণ এই আন্দোলন সকল দেশবাসীর সক্রিয় অংশগ্রহণ কামনা করি।”
No comments:
Post a Comment